চলে গেলেন সাংবাদিক সদানন্দ দাস। তাঁর মৃত্যুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় শোক জ্ঞাপন সাংবাদিকদের।

প্রয়াত বর্ধমানের প্রবীণ সাংবাদিক সদানন্দ দাস। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। অসুস্থ হয়ে কলকাতায় একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন ২৪ তারিখ। মঙ্গলবার সকালে তিনি সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রেখে গেলেন স্ত্রী, দুই পুত্র এবং কন্যাকে। সদানন্দ বাবুর দুই পুত্র  বিজয় প্রকাশ দাস এবং জয়প্রকাশ দাস দুজনেই সংবাদিক।

তিনি সাহিত্য এবং সংবাদ জগতের বেশকিছু সংগঠনের দায়িত্বে ছিলেন। তার নিজস্ব সংবাদপত্র রয়েছে। বর্ধমানের এই প্রবীণ সাংবাদিকের মূত্যুতে সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে আসে। তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে হাজির হন জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক কুশল চক্রবর্তী, সাংবাদিকগণ ও তার গুনমুগ্ধ অসংখ্য মানুষজন।
তার মৃত্যুর পর জেলার সাংবাদিকরা সোশ্যাল মিডিয়ায় শোক জ্ঞাপন করেন।

পার্থ চৌধুরী: আমাদের এক অভিভাবকের প্রয়াণ ঘটলো।বিনম্র শ্রদ্ধা। আমাদের দাবিদাওয়া নিয়ে সারাজীবন লড়াই করে গেছেন সদানন্দ দাস। সমাজ সংস্কৃতি র নানা ক্ষেত্রেও তার ছিল নিরলস বিচরণ।২০১০ সালে বর্ধমান জেলা প্রেস ক্লাব তাঁকে ‘ গঙ্গাকিশোর স্মারক সম্মান’ এ সম্মানিত করে।জীবিতদের মধ্যে সদানন্দ দা আর প্রয়াত দাশরথি তা কে এই সম্মান জানিয়েছিলো আমাদের ক্লাব।আমরা সম্মানিত হয়েছিলাম।আমার বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। জয় ও বিজয়কে সমবেদনা।

শরদিন্দু ঘোষ: প্রবীণ সাংবাদিক সদানন্দ দাসের মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। তাঁর পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাই।

প্রবীর চট্টোপাধ্যায়: খুব দুঃখজনক খবর। বর্ধমান বইমেলার আগে সদা দার সাথে কথা হয়েছিল।আমার বই ‘ফিরে দেখা বর্ধমান’ এ গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য কে নিয়ে লেখা সদানন্দ দাস এর উদ্যোগ এর কথা আছে। বইটি প্রকাশিত হলেই তিনি এক কপি নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। নিজের হাতে দাদাকে দিয়ে আসতে পারলাম না। বুকে এই কষ্টটা চিরদিন থেকে যাবে।

পার্থসখা অধিকারী: আমি একজন অভিভাবককে হারালাম। উনি আমার অভিভাবক ছিলেন। আর সংবাদপত্র ও সাহিত্য জগৎ হারালো এক বড় মাপের মানুষ কে।  

বিধান চন্দ্র: বর্ধমানে সংবাদ জগতের নক্ষত্র পতন। আমরা একজন অভিভাবক হারালাম। পরিবারের প্রতি রইলো সমবেদনা।

অভিজিৎ সাহা: সদা দার মৃত্যু বড়ই দুঃখ জনক ঘটনা। ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি। পরিবারের সকল সদস্যদের জানাই সমবেদনা।

সুকুমার দাস: ওনার চির শান্তি কামনা করি, পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানালাম l

কৌশিক চক্রবর্তী: সদানন্দ জেঠুর প্রয়ান সংবাদপত্র জগতের ইন্দ্র পতন….আমরা একজন অভিভাবক কে হারালাম , ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি…

প্রদীপ কুমার মন্ডল: ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি। লড়াকু প্রবীণ সাংগঠনিক সাংবাদিক কে হারালাম। নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি আমরা আমাদের অভিভাবক কে হারালাম।ওনার পরিবার এর সকল সদস্যকে জানাই সমবেদনা।

উদিত চট্টোপাধ্যায়: একদিকে লড়াকু অন্যদিকে ভীষণই সাংগঠনিক মানুষ ছিলেন সদানন্দদা। সংবাদপত্র এবং সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ে নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে গিয়েছেন। গড়ে তুলেছিলেন সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তাদের নিজস্ব সংগঠন। তাঁর বক্তব্যে সবসময়ই প্রতিফলিত হতো সাংবাদিকদের দাবি এবং অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে নির্দিষ্ট পদক্ষেপের কথা।
এইরকম একজন প্রবীণ অভিভাবককে হারানো এই সময়ে একটা বড় ক্ষতি।

জয়ন্ত দত্ত:  সাংবাদিকদের দাবি আদায়ে সর্বক্ষণ চিন্তা ভাবনা করতেন । উনার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে আমরা হারালাম আমাদের অভিভাবক কে ।জয় -বিজয় ও পরিবারের প্রতি রইল আমার আন্তরিক সমবেদনা।

পল্লব রায় চৌধুরী:  ওনার মৃত্যুর সংবাদে আমরা শোকাহত ।আত্মা র শান্তি কামনা করি ।সাংবাদিক জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের অবসান হল ।

নূর আহমেদ: সদানন্দ দার সাথে আমার অনেক দিনের আলাপ । মানুষ হিসেবে খুবই ভালো ছিলেন।

ছন্দা চক্রবর্তী: গভীর ও আন্তরিক সমবেদনা জানাই।

বিশ্বনাথ পাল: প্রবীন সাংবাদিক, দৈনিক স্বীকৃতি র সম্পাদক, মফঃস্বল সংবাদ পত্রের সংগঠক ও নিখিল ভারত সাহিত্য সংগঠনের একনিষ্ঠ কর্মী ও সংস্কৃতি মনস্ক শ্রদ্ধেয় সদানন্দ দাসের পরলোক গমনে আমি যারপরনাই ব্যথিত। তাঁর মৃত্যু বর্ধমানের সাংবাদিক ও সংবাদ পত্র জগতে শূন্যতা ডেকে আনবে। ছোট পত্রিকার উন্নয়ন বা দাবী দাওয়ার ক্ষেত্রে আর তাঁকে পাবেন না সাংবাদিকেরা।