সিমলন দে বাড়ির দেবী মূর্তিতেই বিশেষত্ব। ক্লিক করে পড়ুন

নিউজ ডেস্কঃ  প্রায় ৭৫ বছরের প্রাচীন বর্ধমানের সিমলনের  দে বাড়ির দুর্গা পুজো। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কালিপদ দে।  সময় পেরোলেও ঐতিহ্য আর সাবেকিয়ানাকে ধরে রেখেছে পরিবারের বর্তমান সদস্যরা। শোনা যায়, পুজো শুরু হওয়ার কয়েক বছর পর পারিবারিক কারনে কালিপদবাবু  মূর্তি না এনে ঘটে পটে পুজো করেন।  কিন্তু সেই বছর দেবী স্বপ্নে দেখা দেন তাকে। তার মূর্তি এনে পুজো করার আদেশ দেন। এর পরের বছর থেকে আবার একচালার সাবেকী দেবী মূর্তি তৈরি করে পুজো শুরু হয় জাঁকজমকের  সাথে। তৈরি হয় ঠাকুর দালান। সেখানেই পুজো হয়। দে বাড়ির দুর্গা মূর্তির বিশেষত্ব রয়েছে। শিউলি ফুলের বৃন্তের রঙে দেবী দুর্গার রঙ হয়। অসুরের রঙ হয় শ্যাওলা। আগে পুজোর সময় কলকাতার শিল্পী এনে জলসা হত। এখন তা হয় না। বৈষ্ণব মতে পুজো হয়। ছাচি কুমড়ো, লাউ বলি দেওয়া হয়। ছাগ বলি এখানে হয় না। আগে নবমী ও দশমীতে এলাকার সমস্ত মানুষকে  খাওয়ানো হত। এখন শুধু দশমীতে বিজয়ার পর খাওয়ানো হয়। মহালয়ার দিন থেকে শুধু মাছ ছাড়া অন্য কোন আমিষ খাবার খাওয়ার রীতি নেই পরিবারে। কথিত আছে, প্রতি বছর সন্ধি পুজোর পর ঠাকুর দালানে হঠাৎ সাপ, সারমেয় বা বেড়াল দেখা যাবে। দশমীতে সিঁদুর খেলায়  অংশ নেন পরিবার ও এলাকার মহিলারা। এই পুজো ঘিরে সবাই পুজোর কটা দিন আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠে।

বনেদি বাড়ি অথবা থিমের পুজো, আপনার পাড়ার পুজোপুজোর খবরের জন্য ফোন করুন  ৭৯০৮০০২২৪৮, ৯৯৩৩১০৬৯০৪

*** ‘হাইলাইস বেঙ্গলএর নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ Like  করুন।

আরও  খবর  দেখতে  google গিয়ে ক্লিক করুন-  www.highlightsbengal.com     

আপনি কি কবিতা বা গল্প লেখেন? পাঠান আমাদের। ‘হাইলাইস বেঙ্গল’’ এর বিশেষ বিভাগ ‘আপনার লেখা’ তে প্রকাশিত হবে। আপনার লেখা পৌঁছে যাবে বিশ্বের দরবারে। লেখা পাঠান এই ই-মেলে- highlightsbengal.news@gmail.com

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের সেরা মাধ্যম ‘হাইলাইস বেঙ্গল’ বিজ্ঞাপনের জন্য  ফোন করুন- ৯৯৩৩১০৬৯০৪, ৭৯০৮০০২২৪৮