সেখ সামসুদ্দিনঃ  চলেন জনপ্রিয় নেতা সেলিম মোল্লা।   আজ সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি সেলিম মোল্লা (৬২) বিরল স্নায়ুরোগে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার এই মৃত্যুতে জেলা সহ ব্লক ও অঞ্চলের নেতৃত্ব ও বহু মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে দলমত নির্বিশেষে দফায় দফায় উপস্থিত হন তার বাসভবনে। মেমারি পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন বিষয়ী, ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্রিয় সামন্ত, মেমারি ১ ব্লক সভাপতি মধুসূদন ভট্টাচার্য পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বসন্ত রুইদাস সহ-সভাপতি শেখ মোয়াজ্জেম, পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাধিপতি শম্পা ধারা, সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু, জেলা পরিষদ কর্মাধ্যক্ষ নারায়ন হাজরা চৌধুরী, নুরুল ইসলাম, সিপিএম নেতা অভিজিৎ কোঙার, প্রদেশ কংগ্রেস সদস্য টুটুল কুমার পান, বর্ধমান দক্ষিণ মহাকুমা কংগ্রেস সভাপতি ও মেমারি ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার শ্যামল সরকার সহ সর্বস্তরের নেতৃত্ব উপস্থিত হন। উপস্থিত ছিলেন মেমারির বিধায়িকা নার্গিস বেগম। হাজার খানেক মানুষের সমাগমে তার বাড়ির সন্নিকটস্থ কবরস্থানে সমাধিস্থ করা হয়। সেলিম মোল্লা কংগ্রেস দলের প্রদেশ সদস্য এবং পরে প্রায় ১৪ বছর এআইসিসি সদস্য ছিলেন। প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সীর ঘনিষ্ঠ এই নেতা বছর দুয়েক আগে মমতা ব্যানার্জীর তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন এবং জেলা সংখ্যালঘু সেলের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব চালাচ্ছিলেন। তার এই অকাল প্রয়াণে সর্বদলীয় নেতৃত্ব এবং সাধারণ মানুষ গভীর শোকাহত হন। হয়ে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার এই মৃত্যুতে জেলা সহ ব্লক ও অঞ্চলের নেতৃত্ব ও বহু মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে দলমত নির্বিশেষে দফায় দফায় উপস্থিত হন তার বাসভবনে। মেমারি পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন বিষয়ী, ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্রিয় সামন্ত, মেমারি ১ ব্লক সভাপতি মধুসূদন ভট্টাচার্য পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বসন্ত রুইদাস সহ-সভাপতি শেখ মোয়াজ্জেম, পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাধিপতি শম্পা ধারা, সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু, জেলা পরিষদ কর্মাধ্যক্ষ নারায়ন হাজরা চৌধুরী, নুরুল ইসলাম, সিপিএম নেতা অভিজিৎ কোঙার, প্রদেশ কংগ্রেস সদস্য টুটুল কুমার পান, বর্ধমান দক্ষিণ মহাকুমা কংগ্রেস সভাপতি ও মেমারি ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার শ্যামল সরকার সহ সর্বস্তরের নেতৃত্ব উপস্থিত হন। উপস্থিত ছিলেন মেমারির বিধায়িকা নার্গিস বেগম। হাজার খানেক মানুষের সমাগমে তার বাড়ির সন্নিকটস্থ কবরস্থানে সমাধিস্থ করা হয়। সেলিম মোল্লা কংগ্রেস দলের প্রদেশ সদস্য এবং পরে প্রায় ১৪ বছর এআইসিসি সদস্য ছিলেন। প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সীর ঘনিষ্ঠ এই নেতা বছর দুয়েক আগে মমতা ব্যানার্জীর তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন এবং জেলা সংখ্যালঘু সেলের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব চালাচ্ছিলেন। তার এই অকাল প্রয়াণে সর্বদলীয় নেতৃত্ব এবং সাধারণ মানুষ গভীর শোকাহত হন।