কমলা লেবুর খোসা আর ফেলবেন না। যা উপকারে লাগবে ভাবতেই পারবেন না। দেখুন –

আমরা কমলা লেবু খেয়ে খোসাটা ফেলে দিই। কিন্তু আপনি কি জানেন এই লেবুর খোসা আমাদের কত কাজে লাগে?

১। মুখের যে কোনও দাগ নির্মূল করতে কমলা লেবুর খোসা দারুন ভাবে উপকারি। কমলা লেবুর খোসা সরাসরি মুখের মধ্যে রেখে পাঁচ মিনিট থেকে দশ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। বেশ কিছুদিন করলেই দাগ উঠে যাবে।

২। স্টিলের জিনিস, ননস্টিক পাত্র পরিষ্কার করতে কমলা লেবুর খোসা দারুন উপকারি। কমলা লেবুর খোসা একটি কাঁচের বোতলে ভরে তার মধ্যে জল দিন। যতক্ষন না খোসা গুলো ডুবে যায়। এরপর বোতলের মুখ আটকে ৫-৬ দিন রেখে দিন। এর পর একটি স্প্রে বোতলে ভরে স্টিলের জিনিস, ননস্টিক পাত্রতে স্প্রে করুন। স্প্রে বোতল না থাকলে হাতে করে বুলিয়ে নেবেন এরপর পাঁচ মিনিট রেখে সার্ফ বা সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। বাসন ঝকঝক করবে। পোড়া দাগ সহজেই উঠে যাবে।

৩। কমলা লেবুর খোসা ফ্রিজের মধ্যে রেখে দিন। জীবাণুমুক্ত হবে। ফ্রিজে বাজে গন্ধ হবে না।

৪। কিছুটা কমলা লেবুর খোসা বেঁটে তার মধ্যে চারচামচ দুধ, একচামচ মধু, এক চামচ হলুদ বাটা এক সাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে মেখে পাঁচ থেকে দশ মিনিট রেখে দিতে হবে। এরপর মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এটি নিয়মিত করলে মুখের কালো দাগ দূর হবে। মুখের রঙ উজ্জ্বল হবে।

৫। লেবুর খোসা রোদে শুকিয়ে নিয়ে গুড়ো করে রেখে দিন।  দিনে একবার হাফ কাপের কিছুটা কম দুধ নিয়ে, ওর মধ্যে দেড়  চামচ কমলা লেবুর খোসার গুঁড়ো নিয়ে আধ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ওই দুধ সারা শরীরে মেখে ৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।  সপ্তাহে তিনদিন করতে হবে। গায়ের রঙ উজ্জ্বল হবে। এক মাস করলেই ফল বুঝতে পারবেন।

৬। লেবুর খোসার গুঁড়ো গোলাপ জল দিয়ে গুলে মুখে মেখে পাঁচ মিনিট রাখুন এরপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি নিয়মিত করলে ত্বকের জেল্লা বাড়বে।