বিজেপি তৃনমূল সংঘর্ষ। ধুন্ধুমার কান্ড মেমারিতে।

নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে ততই পূর্ব বর্ধমানের বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।

শনিবার দুপুর থেকে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি বিধান নওহাটি গ্রামে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনায় দুপক্ষের প্রায় কুড়ি জন জখম হয় । ভাঙচুর হয় বাড়ির আসবাবপত্র, টিভি, গাড়ি, বাইক।
পুলিশের গাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।

এদিন বিজেপি প্রার্থী ভীষ্মদেব ভট্টাচার্য ওই এলাকায় কয়জন কর্মী-সমর্থককে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারের জন্য বের হন।
মেমারি  দু’নম্বর তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মহ: ইসমাইল  অভিযোগ করেন, বিনা অনুমতিতে বিজেপি প্রচার করছিল গ্রামে। এই বিষয়টি  তারা পুলিশকে জানায় । গ্রামের কিছু ছেলে বিষয়টি প্রতিবাদ করে। এরপর এই  প্রচার থেকে তৃনমূল সমর্থকদের একাধিক বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। বাড়ির জিনিস লুটপাট করে বলে অভিযোগ। বাড়ির আসবাবপত্র, টিভি ভাঙচুর হয়। একাধিক বাইক ও চারচাকা গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে । তৃণমূলের অভিযোগ ভাঙচুরের সঙ্গে সঙ্গে তাদের কয়েকজন কর্মীকে মারধর করা হয় বাড়িতে গিয়ে।

যদিও বিজেপি এই অভিযোগ মানতে নারাজ। বিজেপি প্রার্থী ভীষ্মদেব ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, তারা যখন প্রচারে গিয়েছিলেন ঐ গ্রামে তখন রাস্তা আটকায় তৃণমূল সমর্থকরা। সেই ঘটনা থেকেই উত্তেজনা তৈরি হয়। প্রতিবাদ করলে বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে ভাংচুর করে তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। তাদের কর্মীদেরও তৃণমূল মারধর করে বলে অভিযোগ।

উত্তেজনা সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মেমারি থানার বিশাল পুলিশবাহিনী পৌঁছায়। পুলিশকে ঘিরেও বিক্ষোভ দেখায় গ্রামবাসীরা। উত্তেজনা বাড়লে আসে র‍্যাফ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। পুলিশের একটি গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়।

এই ঘটনায় জখম হয় প্রায় ২০ জন।

নতুন করে যাতে উত্তেজনা না ছড়ায় সেই কারণে গ্রামে শুরু হয়েছে পুলিশী টহলদারি।